রানী এলিজাবেথ বাথার বিশ্বাস করতো যে,
কুমারী মেয়েদের রক্ত তাকে চিরযৌবনা রাখবে।
এই বিকৃত বিশ্বাস থেকে তিনি একের পর এক কুমারীকে হত্যা করেন। ইতিহাসে তিনি পরিচিত “ব্লাড কাউন্টেস” বা “কাউন্টেস ড্রাকুলা” নামে। ইতিহাসবিদদের মতে, তার হাতে নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছাড়িয়ে হাজারেরও বেশি হতে পারে।
তিনি শুধু রক্ত পান করতেন না
রক্তে গোসল করতেন, মেয়েদের শরীর থেকে মাংস কেটে নিতেন, এমনকি সেই মাংস রান্না করে ভুক্তভোগীকেই খেতে বাধ্য করতেন। মেয়েদের শরীরে মধু লাগিয়ে বাইরে বেঁধে রাখতেন, যাতে মৌমাছি ও পোকামাকড় তাদের জীবন্ত খেয়ে ফেলে। দাসীদের নখে, ঠোঁটে, গালে সুঁই ফুটিয়ে রাখতেন। যন্ত্রণার আর্তনাদ শুনে তিনি বিকৃত আনন্দ পেতেন।
ছোটবেলা থেকেই তার মধ্যে নিষ্ঠুরতা ছিল। অন্যের মৃত্যু যন্ত্রণা দেখে তৃপ্ত হতেন। ইতিহাসবিদদের মতে, তার পারিবারিক সহিংস পরিবেশ ও মানসিক সমস্যার প্রভাব এতে বড় ভূমিকা রেখেছিল।
মাত্র ১৩ বছর বয়সে মা হন এলিজাবেথ। ১৫ বছরে হাঙ্গেরির সেনাপতি ফেরেন্স নাডাসডিকে বিয়ে করেন। ফেরেন্স অটোমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ভয়ংকর নিষ্ঠুরতার জন্য পরিচিত ছিলেন। অটোম্যান বন্দিদের উপর নির্মম নির্যাতন চালাতেন। দাসদের দুই পায়ের গোড়ালির মাঝে কাগজ রেখে আগুন ধরিয়ে দিতেন। যুদ্ধক্ষেত্রে অমানবিকতার কারণে তাকে ডাকা হতো “ব্ল্যাক হিরো অব হাঙ্গেরি”।
ফেরেন্স যুদ্ধ থেকে এলিজাবেথকে নতুন নতুন নির্যাতনের কৌশল পাঠাতেন। এসবই এলিজাবেথকে আরও হিংস্র করে তোলে। স্বামীর মৃত্যুর পর তার নৃশংসতা সীমা ছাড়িয়ে যায়। শুধু নারী নয়—অনেক পুরুষকেও সে হত্যা করে। সম্পর্ক গড়ে তুলে পরে তাদের নির্মমভাবে মেরে ফেলত।
১৬০৩ সালে অবশেষে তার অপকর্ম ফাঁস হয়। বহু মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় রাজ আদেশে তাকে ও তার চার সহযোগীকে বিচারের আওতায় আনা হয়।
ইতিহাসে এসব জঘন্য কাজ নতুন নয়।
আজও একই শয়তানি মানসিকতা ভিন্ন মুখোশে চলছে।
আল্লাহ আপনাকে এখনো বাঁচিয়ে রেখেছেন নির্ধারিত দায়িত্ব পালনের জন্য।
সে দায়িত্ব পালন করুন। আঞ্জাম দিন।
যারা পশ্চিমাদের আইডল বানায়
তাদের সামনে এসব কুকীর্তি তুলে ধরুন।
আপনার সহপাঠী, ক্লাসমেটদের বলুন,
লুসিফার কে? দাজ্জালের পুরো কনসেপ্ট কী?
এই বিষয়ে বিশদ জ্ঞান অর্জন করুন।
©
Ad
Ad
Comments
Total Comments: 0
No comments yet.
Leave a Comment
Login to leave a comment.