যাদের কাছে রোজা আর পূজা এক, যারা পূজায় গিয়ে মুসলিম নামের নাকে খত দিয়ে আসে, যারা ক্ষমতার জন্য হিন্দু হয়ে যেতেও প্রস্তুত, যারা ক্ষমতার জন্য ডারতের সাথে গোপনে আঁতাতে আসতে চায়, যারা এখনো দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে ভারতের এজেন্টদের তোয়াজ করে- ( শন্তু শর্মা)
তারা এসে hi ন্দুত্ববাদ মোকাবেলা শেখাতে আসে। তারা এসে তালেবদের র আর ডারতের এজেন্ট বলে দিনরাত তসবিহ জপে।
যারা রামমন্দির নির্মাণের পাহারাদার, যারা দলীয়ভাবে এই মন্দির নির্মাণে সহযোগীতা করেছে এবং বিরোধীতা করাকে নিষেধ করেছে, তারা এসে রাম মন্দির আর পতাকার কেবলা ঠিক করে দিচ্ছে।
এতোদিন রামমন্দির, জয় শ্রী রামের মশাল মিছিল ইত্যাদি নিয়ে এক শ্রেণির কোন আলাপ ও ন্যারেটিভ পাবেন না। কিন্তু যেই বিশ্বকাপ ইস্যুতে পতাকার ছুতো এরা পেয়েছে, ব্যস এদের ন্যারেটিভ বিশ্ববিদ্যালয় খুলে বসেছে।
বিশ্বকাপের কাউন্টারে পতাকা উড়ানোর ব্যাপারটি কতটা কৌশলগত জায়গা থেকে কার্যকর সেটা ভিন্ন আলাপ। এদের ন্যারেটিভের দোকানে এই আলাপ পাবেন না। এদের ন্যারেটিভের দোকানে চৈতালি কিংবা রাম মন্দিরের আলাপও পাবেন না।
মুখে এতোদিন এম্বাসির সামনে সাজু সাজার মার্কাবিশিষ্ট বিশেষ লাগাম লাগিয়ে রেখেছিল। এখন এসেছে মূল আলোচনা ও হুমকি বাদ দিয়ে এলার্জি নিয়ে চুলকাতে।
© Iftekhar Sifat
2 months ago · 266 Views · Public
Leave a Comment
Login to leave a comment.